বৃহস্পতিবার , ২৮ ডিসেম্বর ২০২৩
২৩শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আজকের যশোর
  4. আন্তর্জাতিক
  5. খেলাধুলা
  6. গনমাধ‍্যেম
  7. চাকরি
  8. দেশজুড়ে
  9. পোর্ট থানা বেনাপোল
  10. ফিচার
  11. বাংলাদেশ
  12. বিনোদন
  13. মডেল থানা যশোর
  14. রাজনীতি
  15. শার্শা থানা

দেশের ব্যবসায়ীরা কঠিন সময় পার করছেন

প্রতিবেদক
Face The Jashore
ডিসেম্বর ২৮, ২০২৩ ২:২৩ অপরাহ্ণ

নিউজ ডেস্কঃ মূল্যস্ফীতি, ডলার সংকট আর রাজনৈতিক অস্থিরতায় কঠিন সময় পার করছেন দেশের ব্যবসায়ীরা। তারা বলছেন, একদিকে চাহিদা কমে যাওয়া; অন্যদিকে, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধির ফলে প্রায় সব খাতেই ব্যবসা কমেছে গড়ে ৩০ শতাংশ। এমন পরিস্থিতিতে, ব্যাংক ঋণ পরিশোধ করা নিয়েও দুশ্চিন্তায় অনেক উদ্যোক্তা। তাই ব্যবসায় টিকে থাকতে সরকারের সহায়তা চেয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

হিসাব বলছে, চলতি বছর নভেম্বর পর্যন্ত গড় মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ শতাংশের ওপরে। জীবনযাত্রার এমন লাগামহীন ব্যয় বৃদ্ধিতে চাহিদা কমেছে খাদ্য পণ্যের বাজারে। এর প্রভাব এসে পড়েছে খাদ্য পণ্য প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবসায়। চাহিদা কমে যাওয়ায় একদিকে কমেছে বিক্রি। অন্যদিকে, কাঁচামাল ও ডলারের দর বৃদ্ধিতে বেড়েছে খরচ। ফলে টান পড়েছে লাভের অঙ্কে।

মেঘনা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ আলমগীর বলেন, কিছু কিছু ক্ষেত্রে দ্রব্যের দাম এমন হয় যে, আমাদের দেশের মানুষের ক্রয় ক্ষমতার নাগারের বাইরে। তখন আমাদের পণ্যের দাম কমিয়ে সমন্বয় করতে হয়। ’  

শুধু খাদ্য পণ্যই নয়, ডলার সংকট, জ্বালানি তেল ও কাঁচামালের দর বৃদ্ধিসহ নানা কারণে চাপে আছে দেশের প্রায় সব শিল্প খাত। রিজার্ভ ধরে রাখতে সরকারের আমদানি নিয়ন্ত্রণের ফলে ঋণপত্র খুলতে হিমশিম খাচ্ছে আমদানি নির্ভর শিল্প। ফলে, জুলাই থেকে অক্টোবর এই সময়ে দেশের মোট আমদানি কমেছে ২৭ শতাশের বেশি।

 এ বিষয়ে মীর আকতার গ্রুপের চেয়ারম্যান মীর নাসির হোসেন বলেন, আমার যেগুলো সরকারের কাছ থেকে ৮৪ টাকায় কিনতাম সেগুলোর জন্য এখন ১২০ টাকা পরিশোধ করতে হচ্ছে। এ কারণে আমাদের ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল অনেকটা সংকুচিত হয়ে গেছে।  

চলমান এই সংকটে নতুন মাত্রা যোগ করেছে রাজনৈতিক অস্থিরতা। একের পর এক হরতাল অবরোধ আর পরিবহণে আগুন দেওয়ার ঘটনায় বাধার মুখে পড়ছে পণ্য পরিবহণ ব্যবস্থা। আর এতে বাড়ছে খরচ।

মেট্রোসেম সিমেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শহিদুল্লাহ বলেন, পণ্য পরিবহন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। অস্থিরতা আছে।  ফলে ক্রম-বিক্রয় কমে যাচ্ছে।

এমন বাস্তবতায় ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ করা নিয়েও দুশ্চিন্তায় পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। আর বাড়তি ব্যয়ের বোঝা বহন করে টিকে থাকতে না পেরে বন্ধ হয়ে গেছে অনেক ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।

বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ আলী খোকন, আমি যদি ব্যাংকে পেমেন্ট না দিই। তবে ডিফল্ড হবো। আর ব্যাংক তখন জামানতদারদের টাকা কীভাবে দেবে। সেটাকেও ডিফল্ট বলা হচ্ছে।   

এমন সংকটের প্রভাব পড়েছে দেশের সার্বিক রপ্তানিতে। হিসাব বলছে, গত দুই মাসে দেশের সার্বিক রপ্তানি আয় কমেছে সাড়ে ৯ শতাংশ।

এমন কঠিন পরিস্থিতিতে নতুন করে ব্যবসায় নামতে সাহস করছেন না উদ্যোক্তারা। যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মগুলোর পরিদপ্তর বা আরজেএসসিতে গত পাঁচ মাসে নতুন নিবন্ধিত কোম্পানির সংখ্যা অর্ধেকে নেমে এসেছে।

সর্বশেষ - আজকের যশোর