নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
কেশবপুর উপজেলার শিকারপুর গ্রামে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী এক কিশোরীকে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী ইমন হোসেন (২০) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরী এখন ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। ইমন হোসেন পলাতক রয়েছে ।
মজিতপুর ইউনিয়নের শিকারপুর গ্রামে সোমবার সরেজমিন গিয়ে জানা যায়, ওই গ্রামের এক দিনমজুরের বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরী মেয়েকে একই গ্রামের প্রতিবেশী রফিকুল ইসলাম সরদারের ছেলে ইমন হোসেন দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষণ করেছে। হুমকি দেয়ায় সে মুখ খুলতে সাহস পায়নি। মেয়েটি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে গত ৩১ আগস্ট কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায় তার পরিবার। হাসপাতালের চিকিৎসক পরীক্ষা শেষে জানিয়ে মেয়েটি ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা।
এ ব্যাপারে ধর্ষনের শিকার ওই কিশোরী জানায়, তার মা খুব অসুস্থ হয়ে পড়ে আছে। তার বাবা কাজে গেলে প্রতিবেশী ইমন তাকে কয়েকবার ধর্ষণ করেছে। আর এই কাজে ইমনকে সহযোগিতা করেছেন প্রতিবেশি বড় মা (চাচী) মৃত নিজাম সরদারের স্ত্রী ফরিদা খাতুন।
ইমন হোসেনের পিতা রফিকুল ইসলাম সরদার জানান, তার ছেলে ইমন হোসেন এখন বাড়িতে নেই। ঘটনা যদি সত্যি হয়ে থাকে তাহলে অবশ্যই একটা মীমাংসা করতে হবে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মনিরুজ্জামান মনি দৈনিক স্পন্দনকে বলেন, এমন ঘটনার কথা আমি শুনিনি। এ ঘটনার বিচার হওয়া উচিত।
মজিতপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির পলাশ দৈনিক স্পন্দনকে বলেন, ঘটনা সত্য হলে মেয়ের পরিবারকে ওই ছেলের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করতে সহযোগিতা করবো।









