জুলকার নাইন,নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ভ্রমন কর বৃদ্ধি ও ভারতের ভিসা জটিলতা সহ বিভিন্ন কারণে যাত্রী কমছে বেনাপোল স্থলবন্দর। ভ্রমণ কর বৃদ্ধির পর বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে ভারত গামী যাত্রীর সংখ্যা প্রায় দেড় লাখ, ফলে কমে যাচ্ছে সরকারের রাজস্ব খাতের আয়। এই সমস্যা থেকে সমাধানের জন্য দ্রুতই পদক্ষেপ দাবি সংশ্লিষ্টদের।
বর্তমান চিত্রানুযায়ী দেখা যাচ্ছে যে যাত্রী সংখ্যা কমে যাওয়াতে অবসর সময় পার করছেন আনসার,পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। কিন্তু মাসখানেক আগেও চাপ সামলাতে হিমসিম খেতে হতো টার্মিনালে কর্মরত ব্যক্তিদের। কিন্তু হঠাৎই কমেছে এই যাত্রী সংখ্যা,,কী কারণে তা সম্পর্কে প্রশ্ন করাতে এক পাসপোর্ট যাত্রী জানালেন, মূলত ভিসা পেতে ২-৩ মাস ও ভ্রমন ট্যাক্স বৃদ্ধিতে তাদের অনেক জটিলতার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।
২০১৩ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ভিসা চুক্তি স্বাক্ষর হয়। সেখানে ৬৫ বছরের কম বয়সীদের এক বছর মেয়াদী টুরিস্ট ভিসা দেওয়ার কথা থাকলেও দেওয়া হচ্ছে তিন মাস অথবা ছয় মাসের ভিসা। আবেদনের জায়গায় ১৫ দিনের মধ্যে ভিসা পাওয়ার কথা থাকলেও পাওয়া যাচ্ছে তিন মাস পরে। সেই সাথে যাত্রীর ভ্রমণ কর ৫০০ থেকে বাড়িয়ে করা হয়েছে এক হাজার টাকা।যাত্রীর কমতি বৃদ্ধির পর রাজস্ব আয়ের হার অনেকাংশে কমে গিয়েছে। কিন্তু শিঘ্রই যাত্রী সংখ্যা বাড়বে বলে আশা প্রত্যাশী স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।
সোনালী ব্যাংক বেনাপোল শাখার ব্যবস্থাপক মহাসীন আলী জানান, জুলাই মাস পর্যন্ত যাত্রীসংখ্যা স্বাভাবিক ছিল কিন্তু আগস্ট মাসের প্রথম দিক থেকে যাত্রী সংখ্যা অনেক কমতে শুরু করেছে।
বন্দর কর্তৃপক্ষের হিসাবমতে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বৃদ্ধির পর থেকে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারতগামী যাত্রী সংখ্যা কমেছে প্রায় দেড় লাখ।










