ফেস দ্যা যশোর ডেস্ক: ভুল করে মরদেহ পরিবর্তনের দির্ঘ ৫ মাস অপেক্ষার পর সৌদি থেকে ফেরত এসেছে রুবেলের মরদেহ।
শনিবার (২৫ নভেম্বর) বিকাল ৪ টার দিকে লাশবাহী অ্যাম্বুল্যান্স পৌঁছায় শার্শার কায়বা ইউনিয়নের বাগুড়ী গ্রামের বাড়িতে। মরদেহ পৌছানোর সাথে শুরু হয় মাতম। স্বজনদের আহাজারিতে বাতাস ভারী হয়ে ওঠে।
নিহত রুবেল হোসেন যশোর জেলার শার্শা উপজেলার কায়বা ইউনিয়নের বাগুড়ী গ্রামের ফারুক হোসেনের ছেলে। বাগআঁচড়া কবরস্থানে তার মরদেহ দাফন করা হয়েছে।
শার্শার কাইবা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, নানা জটিলতার মধ্য দিয়ে রুবেলের লাশ তার পরিবার হাতে পেয়েছে।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, পরিবারের অভাব ঘোচানোর স্বপ্ন নিয়ে দেড় বছর আগে রুবেল হোসেন যান সৌদিতে। সেখানে একটি মাদ্রাসার পরিচ্ছন্ন কর্মী হিসেবে কাজ করতেন।
গেল কুরবানী ঈদের সময় ওই মাদ্রাসা টি দুই মাস ছুটি হয়ে যায়। ছুটির কারণে মাদ্রাসায় কাজ না থাকায় রুবেল তার একজন পরিচিত জনের সাথে অন্য জায়গায় সেফটি ট্যাংক পরিষ্কার করার কাজে যুক্ত হয়েছিল। ওই সেফটি ট্যাংকে মধ্যে কাজ করার সময় দূর্ঘটনায় সে মারা যায় অচেতন হয়ে যায়।
পরে নিহত রুবেল হোসেনের লাশ বাংলাদেশ প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ২৬ জুলাই দেশে আসে। কিন্তু কফিন খুলে তার পরিবার দেখেন কফিনের ভিতরে রুবেলের পরিবর্তে অন্য এক বাংলাদেশির মরদেহ রয়েছে। ওই লাশটি ছিল কিশোরগঞ্জ জেলার হোসেনপুর থানার জবডল গ্রামের মৃত তৈয়ব আলীর ছেলে মোজাম্মেল হকের।
এর পর থেকে শুরু হয় রুবেল হোসেনের মরদেহ আসার অপেক্ষায় ছিল পরিবার। অবশেষে বিভিন্ন ভাবে তদবিরের পর শনিবার রুবেলের মরদেহ স্বজনেরা ফেরত পেয়ে অপেক্ষার পালা শেষ হয়।










